ক্বওমীর নতুন সংজ্ঞাঃ
আহলে সুন্নাত
ওয়াল জামাআত ও দারুল উলুম
দেওবন্দের আদর্শ মূলনীতি ও মতপথের অনুসরণে মুসলিম জনসাধারণের আর্থিক সহায়তায়
ওলামায়ে-কেরামের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত ইল্মে ওহীর শিক্ষাকেন্দ্র।
|
ক্বওমীর নতুন সংজ্ঞাঃ
আহলে সুন্নাত
ওয়াল জামাআত ও দারুল উলুম
দেওবন্দের আদর্শ মূলনীতি ও মতপথের অনুসরণে মুসলিম জনসাধারণের আর্থিক সহায়তায়
ওলামায়ে-কেরামের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত ইল্মে ওহীর শিক্ষাকেন্দ্র।
|
|
|
প্রায় আড়াই শতাব্দী ধরে ইলমে ওহীর একনিষ্ঠ খেদমত আঞ্জাম দিয়ে
আসছে উম্মুল-মাদারীস খ্যাত দারুল উলুম দেওবেন্দ এবং এর ক্বাওমী উত্তরসূরীরা। এর রয়েছে
গৌরবোজ্জল ইতিহাস।
আজ নাহয় সেদিকে না-ই
গেলাম।
বর্তমান সরকার
প্রধাণ মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাতেই হয় তাঁর ক্বওমী সনদ বাস্তবায়নের মতো
যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেয়ার জন্য।গতকাল্ (বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে অবহেলিত হয়ে চলে
আসা) এ শিক্ষা ব্যবস্থার স্বীকৃতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য
মন্ত্রীসভায় এর খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
এর আগে ২০১৭ সালের ১১ই
এপ্রিল গণভবনে ক্বওমী মাদ্রাসার আলেম-ওলামাদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধাণমন্ত্রী শেখ
হাসিনা কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদীসের সনদকে মাস্টার্সের সমমানের স্বীকৃতি দেয়ার
ঘোষণা দেন। ওই ঘোষণায় বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বেফাক) এর সভাপতি ও হেফাজতে
ইসলামের আমীর আল্লামা আহমদ শফী (দাবাঃ)কে প্রধান করে একটি কমিটিও গঠন করার কথা
জানানো হয়।
যা আশার আলো যুগিয়েছে
সবার মনে।এতে একদিকে যেমন (তাকমীল ফিল
হাদীস)কে মাষ্টার্স (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবী) সমমান দেয়া হচ্ছে অন্যদিকে থাকছে
সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন পদে আবেদনের সুযোগ।সরকারের এমন উদ্যোগকে কেউ কেউ
নেতিবাচকভাবে দেখলেও হাইয়াতে উলইয়া সহ প্রবীণ উলামায়ে কেরাম এবং তরুণ আলেমরা একে
ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন।
এতে করে ঢেলে সাজানো হতে
পারে এ শিক্ষাব্যবস্থাকে। ইতিমধ্যে নতুনভাবে সং্গায়িতও করা হয়েছে
নতুনভাবে এবং “আল হাইয়াতুল উলইয়ালিল জামিয়াতিল ক্বাওমীয়া
বাংলাদেশ ”কে বাকী ৬টি বোর্ডের প্রতিণিধিত্বের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাই “মতভেদ আর দলাদলী পায়ের নীচে দেবো
ফেলি”
শায়খে বর্ণভীর এ বাণীকে সামনে
রেখে এখনই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার সময়। কণ্টকাকীর্ণ পথ মুক্ত হোক ক্বাওমীর আগামীর
পথচলা সেই প্রত্যাশায়...
QAWMI MADRASHA & DREAM